ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সঠিক খাদ্যাভ্যাস রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা যদি সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করেন, তবে রোগের জটিলতা অনেকাংশে কমানো যায়। এই খাদ্য তালিকায় কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত খাবার, উচ্চ ফাইবার, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি যুক্ত উপাদান থাকতে হবে। পাশাপাশি, অতিরিক্ত চিনি, পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট এড়িয়ে চলা অপরিহার্য। সঠিক খাদ্য নির্বাচন ও নিয়মিত সময়ে খাবার গ্রহণ ডায়াবেটিস রোগীর সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন নিশ্চিত করতে পারে।
ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা ও সাপ্তাহিক চার্ট
দিন
সকাল (নাস্তা)
দুপুর
বিকেল (হালকা নাস্তা)
রাত
শনিবার
ওটস + ডিমের সাদা অংশ ২টি + গ্রিন টি
লাল চাল ১ কাপ + মাছ (রুই/কাতলা) + সবজি (করলা/পালং) + ডাল
গ্রিন টি + ৫টি বাদাম + ১টি পেয়ারা
আটার রুটি ২টি + সবজি + সেদ্ধ ডিমের সাদা অংশ
রবিবার
ডালিয়া + শসা + লেবু পানি
লাল চাল বা রুটি + মুরগির বুকের মাংস + শাকসবজি
কালো কফি + আখরোট ৫টি + ১টি আপেল
গমের রুটি + মাছ + লাউ ভাজি
সোমবার
লাল আটার রুটি ২টি + সেদ্ধ ডিম ১টি + গ্রিন টি
লাল চাল + মাছ + শাকসবজি (পাটশাক/বেগুন)
গ্রিন টি + ৫টি বাদাম + ১টি জাম
আটার রুটি + ডিমের সাদা অংশ + করলা ভাজি
মঙ্গলবার
ওটস + শসা + গ্রিন টি
রুটি বা লাল চাল + মুরগির বুকের মাংস + সবজি
কালো কফি + ১টি পেয়ারা
আটার রুটি + মাছ + লাউ শাক
বুধবার
ডালিয়া + ডিমের সাদা অংশ + লেবু পানি
লাল চাল + মাছ + শাকসবজি
গ্রিন টি + আখরোট + আপেল
গমের রুটি + সবজি + সেদ্ধ ডিম
বৃহস্পতিবার
আটার রুটি ২টি + শসা + গ্রিন টি
লাল চাল + মুরগির বুকের মাংস + করলা/পালং
কালো কফি + ৫টি বাদাম + জাম
আটার রুটি + মাছ + লাউ ভাজি
শুক্রবার
ওটস + ডিমের সাদা অংশ + গ্রিন টি
লাল চাল + মাছ + শাকসবজি
গ্রিন টি + ৫টি বাদাম + পেয়ারা
গমের রুটি + সবজি + সেদ্ধ ডিম
ডায়াবেটিসের রোগী যে খাবারগুলো খেতে পারবেন
খাদ্যের নাম
ধরন
প্রধান উপকারিতা
ডায়াবেটিসে উপযোগিতা
লাল চাল (পরিমাণমতো)
শর্করা
ফাইবার ও খনিজে সমৃদ্ধ
রক্তে শর্করা ধীরে বাড়ায়
আটার রুটি (লাল আটা)
শর্করা
জটিল কার্বোহাইড্রেট
ধীরে হজম হয়
ডালিয়া (গম ভাঙ্গা)
শর্করা
ফাইবার ও প্রোটিনে সমৃদ্ধ
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে
ওটস
শর্করা
বিটা-গ্লুকান সমৃদ্ধ
ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়
লাল আটা
শর্করা
ভিটামিন বি ও ফাইবার
ধীরে গ্লুকোজ মুক্তি দেয়
ছোলার ডাল
ডাল
প্রোটিন ও ফাইবার
গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম
মসুর ডাল
ডাল
আয়রন ও প্রোটিন
ইনসুলিন প্রতিক্রিয়া উন্নত করে
মুগ ডাল
ডাল
সহজপাচ্য প্রোটিন
রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
কালো ছোলা
ডাল
ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
শর্করা শোষণ ধীর করে
সয়াবিন
ডাল
প্রোটিন ও আইসোফ্ল্যাভন
ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়
পালং শাক
শাক
আয়রন ও ভিটামিন কে
কম ক্যালোরি ও ফাইবার বেশি
লাল শাক
শাক
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে
পুঁই শাক
শাক
ফাইবার সমৃদ্ধ
হজমে সহায়ক
পাট শাক
শাক
আয়রন ও ক্যালসিয়াম
ইনসুলিন কার্যকারিতা সমর্থন করে
মিষ্টি কুমড়া পাতা
শাক
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
মুলা শাক
শাক
ভিটামিন সি ও ফাইবার
শর্করা শোষণ কমায়
ঢেঁড়স
সবজি
সলিউবল ফাইবার
গ্লুকোজ শোষণ ধীর করে
করলা
সবজি
চারান্টিন উপাদান
ইনসুলিন কার্যকারিতা বাড়ায়
লাউ
সবজি
পানি ও ফাইবার বেশি
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
শিম
সবজি
প্রোটিন ও ফাইবার
শর্করা ধীরে মুক্তি পায়
বরবটি
সবজি
ফাইবার ও খনিজ
গ্লুকোজ শোষণ নিয়ন্ত্রণে
কাঁচা পেঁপে
সবজি
পাপেইন এনজাইম
হজম উন্নত করে
ফুলকপি
সবজি
ভিটামিন সি
গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম
বাঁধাকপি
সবজি
ফাইবার বেশি
শর্করা নিয়ন্ত্রণে
শালগম
সবজি
ভিটামিন সি ও ফাইবার
চিনি শোষণ ধীর করে
গাজর (পরিমাণমতো)
সবজি
বিটা-ক্যারোটিন
ধীরে শর্করা মুক্তি দেয়
টমেটো
সবজি
লাইকোপেন ও ভিটামিন সি
ইনসুলিন প্রতিক্রিয়া উন্নত করে
শসা
সবজি
পানি ও ফাইবার
রক্তে চিনি কমাতে সহায়ক
কাঁচা কলা
সবজি
রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ
ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়
কচু শাক
শাক
ফাইবার ও খনিজ
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
বেগুন
সবজি
কম ক্যালোরি
ইনসুলিন কার্যকারিতা সমর্থন করে
মিষ্টি আলু (সীমিত)
শর্করা
ফাইবার ও বিটা-ক্যারোটিন
ধীরে হজম হয়
কচু (সীমিত)
সবজি
ফাইবার ও খনিজ
ধীরে শর্করা মুক্তি দেয়
কুমড়া (সীমিত)
সবজি
ভিটামিন এ
শর্করা ধীরে বাড়ায়
সবুজ মরিচ
সবজি
ভিটামিন সি
রক্তচাপ ও শর্করা নিয়ন্ত্রণে
ধনেপাতা
পাতা
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
গ্লুকোজ কমাতে সহায়ক
পুদিনা পাতা
পাতা
হজমে সহায়ক
রক্তে চিনি স্থিতিশীল করে
রসুন
মসলা
অ্যালিসিন
ইনসুলিন কার্যকারিতা বাড়ায়
পেঁয়াজ
মসলা
সালফার যৌগ
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
আদা
মসলা
প্রদাহ কমায়
ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করে
খাদ্যের নাম
ধরন
প্রধান উপকারিতা
ডায়াবেটিসে উপযোগিতা
হলুদ
মসলা
কারকিউমিন
প্রদাহ কমিয়ে ইনসুলিন কার্যকারিতা বাড়ায়
দারুচিনি
মসলা
সিনামালডিহাইড
রক্তে শর্করা কমাতে সহায়ক
এলাচ
মসলা
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
হজম উন্নত ও গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে
লবঙ্গ
মসলা
অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল
শর্করা শোষণ ধীর করে
গোলমরিচ
মসলা
পাইপারিন
ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়
কালো জিরা
মসলা
থাইমোকুইনোন
রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
তিল
বীজ
ক্যালসিয়াম ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
গ্লুকোজ শোষণ ধীর করে
সূর্যমুখী বীজ
বীজ
ভিটামিন ই
ইনসুলিন কার্যকারিতা উন্নত করে
কুমড়ার বীজ
বীজ
জিঙ্ক ও প্রোটিন
রক্তে চিনি স্থিতিশীল রাখে
চিয়া সিড
বীজ
সলিউবল ফাইবার
শর্করা ধীরে মুক্তি দেয়
আখরোট
বাদাম
ওমেগা-৩ ফ্যাট
ইনসুলিন প্রতিক্রিয়া উন্নত করে
কাঠবাদাম
বাদাম
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
রক্তে শর্করা কমাতে সহায়ক
কাজুবাদাম (সীমিত)
বাদাম
মিনারেল সমৃদ্ধ
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে
চিনাবাদাম
বাদাম
প্রোটিন ও ফাইবার
শর্করা ধীরে বাড়ায়
পেস্তা বাদাম
বাদাম
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
ইনসুলিন কার্যকারিতা উন্নত করে
আমলকি
ফল
ভিটামিন সি
রক্তে চিনি কমায়
পেয়ারা
ফল
ফাইবার বেশি
গ্লুকোজ শোষণ ধীর করে
জাম
ফল
জ্যাম্বোলিন
ইনসুলিন কার্যকারিতা বাড়ায়
আপেল (সীমিত)
ফল
ফাইবার ও পেকটিন
রক্তে শর্করা স্থিতিশীল করে
নাশপাতি
ফল
সলিউবল ফাইবার
ধীরে শর্করা মুক্তি দেয়
কমলা
ফল
ভিটামিন সি
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
মাল্টা
ফল
ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
রক্তে চিনি কমাতে সহায়ক
লেবু
ফল
ভিটামিন সি
শর্করা শোষণ কমায়
ড্রাগন ফল
ফল
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
গ্লুকোজ লেভেল স্থিতিশীল করে
স্ট্রবেরি
ফল
ভিটামিন সি ও ফাইবার
গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম
ব্লুবেরি
ফল
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়
রাস্পবেরি
ফল
ফাইবার ও ভিটামিন সি
রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণে
নারিকেল পানি
পানীয়
ইলেক্ট্রোলাইট
চিনি ছাড়া হাইড্রেশন
সবুজ চা
পানীয়
ক্যাটেচিন
ইনসুলিন কার্যকারিতা উন্নত করে
লেবুর পানি (চিনি ছাড়া)
পানীয়
ভিটামিন সি
শর্করা নিয়ন্ত্রণে
কালো চা (চিনি ছাড়া)
পানীয়
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
ইনসুলিন প্রতিক্রিয়া সমর্থন করে
হারবাল টি
পানীয়
প্রদাহনাশক
রক্তে চিনি কমাতে সহায়ক
মাশরুম
সবজি
প্রোটিন ও ভিটামিন ডি
ইনসুলিন কার্যকারিতা সমর্থন করে
ব্রোকলি
সবজি
সালফোরাফেন
ইনসুলিন সেনসিটিভিটি উন্নত করে
লেটুস
সবজি
পানি ও ফাইবার
রক্তে চিনি স্থিতিশীল করে
বিট শাক
শাক
নাইট্রেট ও ফাইবার
রক্তপ্রবাহ উন্নত করে
সরিষা শাক
শাক
ভিটামিন কে ও ফাইবার
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
কাঁচা ক্যাপসিকাম
সবজি
ভিটামিন সি
ইনসুলিন প্রতিক্রিয়া উন্নত করে
ঝিঙে
সবজি
পানি ও ফাইবার
রক্তে চিনি কমায়
কচি নারিকেল শাঁস
বাদামজাত
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
গ্লুকোজ শোষণ ধীর করে
গমের ভূষি
শস্য
ফাইবার বেশি
ইনসুলিন কার্যকারিতা উন্নত করে
বার্লি
শস্য
বিটা-গ্লুকান
শর্করা ধীরে বাড়ায়
কাউন
শস্য
কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স
রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণে
রুই মাছ
মাছ
প্রোটিন সমৃদ্ধ
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে
তেলাপিয়া মাছ
মাছ
প্রোটিন ও মিনারেল
শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
খাদ্যের নাম
ধরন
প্রধান উপকারিতা
ডায়াবেটিসে উপযোগিতা
ইলিশ মাছ (সীমিত)
মাছ
ওমেগা-৩ ও প্রোটিন
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
কাতলা মাছ
মাছ
প্রোটিন ও মিনারেল
ইনসুলিন কার্যকারিতা সমর্থন করে
চিংড়ি (সীমিত)
সামুদ্রিক খাবার
প্রোটিন ও সেলেনিয়াম
গ্লুকোজ লেভেল স্থিতিশীল করে
পোয়া মাছ
মাছ
কম চর্বি ও প্রোটিন সমৃদ্ধ
রক্তে শর্করা কমাতে সহায়ক
শিং মাছ
মাছ
প্রোটিন ও ফসফরাস
ইনসুলিন প্রতিক্রিয়া উন্নত করে
কৈ মাছ
মাছ
কম ক্যালোরি ও প্রোটিন বেশি
রক্তে চিনি স্থিতিশীল রাখে
তেলাপিয়া মাছ
মাছ
মিনারেল ও প্রোটিন
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
রূপচাঁদা মাছ
মাছ
ওমেগা-৩ ও প্রোটিন
ইনসুলিন কার্যকারিতা উন্নত করে
লইট্টা মাছ
মাছ
প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
গ্লুকোজ শোষণ ধীর করে
টুনা মাছ
মাছ
ওমেগা-৩ ও প্রোটিন
ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়
ডিমের সাদা অংশ
প্রোটিন
উচ্চ মানের প্রোটিন
রক্তে শর্করা বাড়ায় না
দুধ
দুগ্ধজাত
ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
টক দই (চিনি ছাড়া)
দুগ্ধজাত
প্রোবায়োটিক
ইনসুলিন কার্যকারিতা উন্নত করে
ছানা
দুগ্ধজাত
প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম
গ্লুকোজ লেভেল স্থিতিশীল রাখে
বাদাম দুধ
দুগ্ধজাত বিকল্প
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
ইনসুলিন প্রতিক্রিয়া উন্নত করে
কালো চাল
শস্য
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার
শর্করা ধীরে মুক্তি দেয়
গম
শস্য
ফাইবার ও প্রোটিন
গ্লুকোজ লেভেল কমায়
রাই
শস্য
কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স
ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়
ডাল স্যুপ
খাবার
প্রোটিন ও ফাইবার
গ্লুকোজ লেভেল স্থিতিশীল রাখে
চিকেন স্যুপ (চামড়া ছাড়া)
খাবার
প্রোটিন সমৃদ্ধ
রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণে
মাছের স্যুপ
খাবার
ওমেগা-৩ ও প্রোটিন
ইনসুলিন কার্যকারিতা উন্নত করে
টমেটো স্যুপ
খাবার
লাইকোপেন
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে
সবজি সালাদ
খাবার
ফাইবার বেশি
শর্করা শোষণ ধীর করে
ফলের সালাদ (চিনি ছাড়া)
খাবার
ভিটামিন ও ফাইবার
রক্তে চিনি স্থিতিশীল রাখে
গ্রিলড চিকেন (চামড়া ছাড়া)
খাবার
কম ফ্যাট ও প্রোটিন বেশি
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে
ভাপা ডালিয়া
খাবার
ফাইবার ও প্রোটিন
ইনসুলিন কার্যকারিতা উন্নত করে
ভাপা ওটস
খাবার
বিটা-গ্লুকান
রক্তে শর্করা কমায়
ভাপা শাক
খাবার
ভিটামিন ও খনিজ
গ্লুকোজ শোষণ কমায়
লেবু-শসা পানি
পানীয়
হাইড্রেশন ও ভিটামিন সি
রক্তে চিনি স্থিতিশীল রাখে
আদা-লেবু চা
পানীয়
প্রদাহ কমায়
ইনসুলিন কার্যকারিতা উন্নত করে
তিসি বীজ পানি
পানীয়
ওমেগা-৩ ও ফাইবার
গ্লুকোজ শোষণ ধীর করে
মেথি পানি
পানীয়
গ্যালাক্টোম্যানান
রক্তে শর্করা কমায়
করলা রস
পানীয়
চারান্টিন উপাদান
ইনসুলিন কার্যকারিতা বাড়ায়
সবুজ স্মুদি (শাকসবজি দিয়ে)
পানীয়
ভিটামিন ও ফাইবার
শর্করা ধীরে মুক্তি দেয়
আমলকি রস
পানীয়
ভিটামিন সি
ইনসুলিন প্রতিক্রিয়া উন্নত করে
পেয়ারা রস (চিনি ছাড়া)
পানীয়
ফাইবার ও ভিটামিন সি
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে
লাউ রস
পানীয়
পানি ও ফাইবার
রক্তে শর্করা স্থিতিশীল রাখে
শসা রস
পানীয়
পানি ও মিনারেল
গ্লুকোজ শোষণ ধীর করে
পরামর্শ
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করুন।
দিনে ৫–৬ বার অল্প অল্প করে খান।
প্রতিদিন অন্তত ২–২.৫ লিটার পানি পান করতে হবে।
আঁশযুক্ত শাকসবজি, ডাল, মাছ ও লো-ফ্যাট প্রোটিনকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
সাদা চাল, চিনি, মিষ্টি, সফট ড্রিঙ্ক সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলতে চলুন।
তেল কম ব্যবহার করে, সম্ভব হলে অলিভ অয়েল বা সরিষার তেল ব্যবহার করুন।
ফল খাওয়ার সময় একবারে কম পরিমাণে খাবেন এবং খুব মিষ্টি ফল এড়িয়ে চলবেন।
ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করুন।
ডালিয়াহলো গমের ভাঙা দানা। এটি তৈরির জন্য সম্পূর্ণ গম ধুয়ে শুকিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে ভাঙা হয়। এটি ধীরে হজম হয়, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়ায় না-তাই এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। ডালিয়া দিয়ে নরম ভাতের মতো খাবার, খিচুড়ি, বা দুধ দিয়ে মিষ্টি পায়েস জাতীয় খাবার তৈরি করা হয়।
ওটস
ওটস একটি বহুল জনপ্রিয় শস্যজাতীয় খাদ্য, যা স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। এটি মূলত অ্যাভেনা স্যাটিভা (Avena sativa) নামক উদ্ভিদের বীজ থেকে তৈরি হয়। এটি ধীরে হজম হয় বলে রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে বৃদ্ধি পায়, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। ওটস সাধারণত দুধ বা পানিতে সিদ্ধ করে পোরিজ, সবজি মিশিয়ে খিচুড়ি ও সালাদে ব্যবহার করা হয়। ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকাডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা